জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন ২০২৬ প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৮ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬। প্রথম পরীক্ষা বাংলা এবং শেষ দিনে বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশের পর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে রুটিন, পরীক্ষার সময়, বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন, পরীক্ষায় কারা অংশ নিতে পারবে, প্রবেশপত্র কখন পাওয়া যাবে এবং পরীক্ষার হলে কী কী নিয়ম মানতে হবে—এসব বিষয়ে আগ্রহ বেড়েছে।

এই প্রতিবেদনে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন ২০২৬, ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি, বিষয় ও কোড, নম্বর বিভাজন, পরীক্ষার সময়, যোগ্যতা, গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা এবং প্রস্তুতির পরামর্শ একসঙ্গে দেওয়া হলো।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন ২০২৬
নতুন প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক রুটিন নিচে দেওয়া হলো।
| তারিখ | বার | বিষয় | বিষয় কোড | সময় |
|---|---|---|---|---|
| ৮ ডিসেম্বর ২০২৬ | মঙ্গলবার | বাংলা | ১০১ | সকাল ১০টা–দুপুর ১টা |
| ১০ ডিসেম্বর ২০২৬ | বৃহস্পতিবার | ইংরেজি | ১০৭ | সকাল ১০টা–দুপুর ১টা |
| ১৩ ডিসেম্বর ২০২৬ | রবিবার | গণিত | ১০৯ | সকাল ১০টা–দুপুর ১টা |
| ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬ | মঙ্গলবার | বিজ্ঞান | ১২৭ | সকাল ১০টা–সকাল ১১টা ৩০ মিনিট |
| ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬ | মঙ্গলবার | বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় | ১৫০ | সকাল ১১টা ৩০ মিনিট–দুপুর ১টা |
অফিশিয়াল সময়সূচিতে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে; দুই বিষয়ের জন্য ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট করে সময় নির্ধারিত হয়েছে।

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ কবে শুরু হবে?
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ শুরু হবে ৮ ডিসেম্বর ২০২৬। প্রথম দিন বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর ধারাবাহিকভাবে ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি এবং ১৩ ডিসেম্বর গণিত পরীক্ষা হবে। ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পরীক্ষার মাধ্যমে এবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শেষ হবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ কবে শেষ হবে?
২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬ শেষ হবে। ওই দিন বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তাই শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি তারিখ হলো—৮ ডিসেম্বর পরীক্ষা শুরু এবং ১৫ ডিসেম্বর পরীক্ষা শেষ।
৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন ২০২৬
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা মূলত অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষা। তাই Google-এ অনেক শিক্ষার্থী “৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন ২০২৬” বা “অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি” লিখে খুঁজতে পারে।
২০২৬ সালের রুটিন অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পরীক্ষা আলাদা দিনে অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় একই দিনে নেওয়া হবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় কয়টি বিষয়?
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় মোট পাঁচটি বিষয় রয়েছে—
- বাংলা
- ইংরেজি
- গণিত
- বিজ্ঞান
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
তবে পরীক্ষার হিসাবের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মিলিয়ে একটি ১০০ নম্বরের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে মোট পরীক্ষা হয় চারটি পত্রে, সর্বমোট ৪০০ নম্বরে। নীতিমালায় বিষয়ভিত্তিক নম্বরও নির্ধারণ করা হয়েছে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ কত নম্বরে?
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।
নম্বর বিভাজন হলো—
| বিষয় | নম্বর |
|---|---|
| বাংলা | ১০০ |
| ইংরেজি | ১০০ |
| গণিত | ১০০ |
| বিজ্ঞান | ৫০ |
| বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় | ৫০ |
| মোট | ৪০০ |
অর্থাৎ বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে ১০০ নম্বর করে এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে ৫০ নম্বর করে থাকবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময় কত?
বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের জন্য মোট তিন ঘণ্টা সময় থাকবে। এর মধ্যে বিজ্ঞান পরীক্ষা ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পরীক্ষা ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট হবে।
অর্থাৎ ১৫ ডিসেম্বর পরীক্ষার্থীদের সময়ের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় কারা অংশ নিতে পারবে?
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক বা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অষ্টম শ্রেণির সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
শিক্ষার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সপ্তম শ্রেণির সব প্রান্তিকের সামষ্টিক মূল্যায়নের ফল বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি প্রয়োজন অনুযায়ী এই সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করতে পারে।
তাই অষ্টম শ্রেণির প্রত্যেক শিক্ষার্থী সরাসরি জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে—বিষয়টি এমন নয়।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় কীভাবে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়?
শিক্ষার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সপ্তম শ্রেণির ধারাবাহিক/প্রান্তিক মূল্যায়নের সামষ্টিক ফলাফল বিবেচনা করা হয়। এর ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষার্থীর তালিকা তৈরি করা হয়।
কোনো শিক্ষার্থী অষ্টম শ্রেণিতে অন্য বিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত হলে তার আগের বিদ্যালয়ের মেধাক্রম বিবেচনা করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার বিধানও নীতিমালায় রয়েছে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তি কত ধরনের?
জুনিয়র বৃত্তির ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের ট্যালেন্টপুল বৃত্তি এবং সাধারণ বৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
এ কারণে পরীক্ষার্থীদের জন্য শুধু পরীক্ষায় অংশ নেওয়াই নয়, ভালো ফল অর্জনের জন্য বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সিলেবাস কী?
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক অনুসৃত প্রশ্নকাঠামো ব্যবহারের কথা নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে।
তাই প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রথমে অষ্টম শ্রেণির মূল পাঠ্যবই ভালোভাবে শেষ করা উচিত। এরপর প্রশ্নের ধরন অনুযায়ী অনুশীলন ও মডেল টেস্ট দেওয়া যেতে পারে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
রুটিন প্রকাশের পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এগুলো পরীক্ষার আগে অবশ্যই জেনে রাখা দরকার।
পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে আসনে বসতে হবে
পরীক্ষা শুরু হওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকক্ষে নিজ নিজ আসন গ্রহণ করতে হবে।
তাই সকাল ১০টার পরীক্ষা হলে শেষ মুহূর্তে কেন্দ্রে না গিয়ে আগে থেকেই কেন্দ্রে পৌঁছানো ভালো।
প্রবেশপত্র কখন পাওয়া যাবে?
পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষার কমপক্ষে সাত দিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
প্রবেশপত্র পাওয়ার পর নাম, রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, কেন্দ্র এবং অন্যান্য তথ্য সঠিক আছে কি না দেখে নেওয়া উচিত।
OMR ফরম কীভাবে পূরণ করতে হবে?
পরীক্ষার্থীদের OMR ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
OMR ফরম পূরণের ক্ষেত্রে ভুল করা যাবে না। উত্তরপত্র কোনো অবস্থাতেই ভাঁজ করা যাবে না।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে?
হ্যাঁ। বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।
তবে পরীক্ষার হলে কোনো ধরনের অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস নেওয়া যাবে না।
পরীক্ষার হলে মোবাইল নেওয়া যাবে?
না। কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মুঠোফোনসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে যেতে পারবেন না।
তাই পরীক্ষার দিন মোবাইল ফোন বাড়িতে রেখে যাওয়াই নিরাপদ।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন?
রুটিন প্রকাশের পর প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনার পরিকল্পনা তৈরি করা।
বাংলার প্রস্তুতি
বাংলা বিষয়ের পাঠ্যবই, ব্যাকরণ এবং লিখিত অংশ নিয়মিত অনুশীলন করুন। যেসব প্রশ্নের উত্তর লিখতে সময় বেশি লাগে, সেগুলো বারবার লিখে অভ্যাস করুন।
ইংরেজির প্রস্তুতি
ইংরেজিতে Grammar, Reading ও Writing অংশকে গুরুত্ব দিন। প্রতিদিন কিছু সময় ইংরেজি লেখার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে সময় ব্যবস্থাপনা সহজ হবে।
গণিতের প্রস্তুতি
গণিতের ক্ষেত্রে শুধু সূত্র মুখস্থ না করে নিয়মিত অংক সমাধান করুন। সময় ধরে মডেল টেস্ট দেওয়ার অভ্যাস করুন।
বিজ্ঞানের প্রস্তুতি
বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, সংজ্ঞা, চিত্র এবং প্রয়োগভিত্তিক প্রশ্ন বুঝে পড়ুন। মুখস্থ করার পাশাপাশি বিষয়গুলো কেন এবং কীভাবে ঘটে সেটিও বোঝার চেষ্টা করুন।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের প্রস্তুতি
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও অধ্যায়গুলো বুঝে পড়ুন। পরীক্ষায় উত্তর লেখার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো নিজের ভাষায় লেখার অনুশীলন করুন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন পরিবর্তন হয়েছে কি?
হ্যাঁ। ২০২৬ সালের জন্য আগে প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জিতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে আয়োজনের কথা ছিল। পরে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করে পরীক্ষা এগিয়ে এনে ৮ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
তাই শিক্ষার্থীদের পুরোনো শিক্ষাপঞ্জির তারিখ অনুসরণ না করে সর্বশেষ প্রকাশিত রুটিন অনুসরণ করতে হবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন PDF কোথায় পাওয়া যাবে?
২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নোটিশ তালিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে “২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি” নামে নোটিশটি পাওয়া যাচ্ছে।
রুটিনের PDF বা ছবি সংরক্ষণ করে রাখলে পরীক্ষার তারিখ ও সময় প্রয়োজনের সময় সহজেই দেখা যাবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬: এক নজরে
পরীক্ষার নাম: জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬
শ্রেণি: অষ্টম শ্রেণি
পরীক্ষা শুরু: ৮ ডিসেম্বর ২০২৬
পরীক্ষা শেষ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬
প্রথম পরীক্ষা: বাংলা
শেষ দিনের পরীক্ষা: বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
মোট নম্বর: ৪০০
মোট বিষয়: ৫টি
মোট পত্র: ৪টি
পরীক্ষার সময়: সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা
অংশগ্রহণের সুযোগ: বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী, নীতিমালা অনুযায়ী
বৃত্তির ধরন: ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তি
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ FAQ
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ কবে শুরু হবে?
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ শুরু হবে ৮ ডিসেম্বর ২০২৬, বাংলা বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ কবে শেষ হবে?
পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬। শেষ দিনে বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পরীক্ষা হবে।
৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ কত নম্বরে?
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে ১০০ করে এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে ৫০ করে নম্বর থাকবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় কয়টি বিষয়?
পাঁচটি বিষয়—বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়। তবে পরীক্ষা চারটি পত্রে অনুষ্ঠিত হবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় কারা অংশ নিতে পারবে?
নীতিমালা অনুযায়ী, বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অষ্টম শ্রেণির সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। সপ্তম শ্রেণির সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে?
বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার হলে মোবাইল নেওয়া যাবে?
না। পরীক্ষার্থী বা কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্যদের জন্য মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
পরীক্ষার কত আগে কেন্দ্রে যেতে হবে?
পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ আসনে বসতে হবে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র কখন পাওয়া যাবে?
পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে সাত দিন আগে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
শেষ কথা
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন ২০২৬ প্রকাশের পর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সামনে এখন পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময়সূচি পরিষ্কার। ৮ ডিসেম্বর বাংলা দিয়ে পরীক্ষা শুরু হবে এবং ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পরীক্ষার মাধ্যমে শেষ হবে।
তাই এখন থেকেই রুটিন অনুযায়ী প্রস্তুতি ভাগ করে নেওয়া সবচেয়ে ভালো। বিশেষ করে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে নিয়মিত লিখিত অনুশীলনের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বারবার রিভিশন দিতে হবে।
পরীক্ষার তারিখ, সময় বা নির্দেশনায় ভবিষ্যতে কোনো পরিবর্তন এলে সর্বশেষ সরকারি নোটিশ অনুসরণ করতে হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নোটিশ তালিকাতেও ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত থাকার তথ্য রয়েছে।
Edu Khobor – এডু খবর শিক্ষা, চাকরি ও ক্যারিয়ারের সকল খবর একসাথে